“প্রশিক্ষণ” শব্দটি অনেকের কাছেই মানে কিছু স্লাইড দেখা, কয়েকটা টেকনিক শেখা।
কিন্তু আমার জন্য CAITAMS ছিল একটি বাস্তব জীবনের জার্নি—যেখানে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির প্রতিটি চ্যালেঞ্জ, প্রতিটি ডেটা, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একেবারে বাস্তব প্রেক্ষাপটে শেখানো হয়েছে।
এই পথচলায় সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল CAITAMS-এর প্রতিষ্ঠাতা স্যারের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ।
আলহামদুলিল্লাহ, গত এক বছর ধরে তার নিবিড় তত্ত্বাবধানে আমি Sample & Sketch Analysis, Tech Pack Analysis, Consumption, ও Costing-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কাজ করেছি।
স্যার প্রতি সপ্তাহে আমাদের সময় দিতেন, বাস্তব কাজের ভেতর থেকে শেখাতেন—যার ফলে আমার জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস দুই-ই বহুগুণে বেড়ে গেছে আগের তুলনায়!
আজ আমি কর্মরত আছি Jordan-এর Tuskar Apparel-এ।
এই পেশাগত অবস্থানে পৌঁছানোর পিছনে CAITAMS এবং সম্মানিত স্যারের অবদান ছিল অবিস্মরণীয়।
CAITAMS নিয়ে স্যারের পরিকল্পনা ছিল বহু আগে থেকেই—
সেই স্বপ্ন, সেই চিন্তা, আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
যখন শুনলাম স্যার CAITAMS যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন—তখনই মনে হল, আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করাটা শুধু দায়িত্ব নয়, গর্বের বিষয়।
আমি Dipankar, একজন বাস্তব উদাহরণ—CAITAMS কেবল একজন পেশাদার তৈরি করে না,
তারা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।
আমি CAITAMS-এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
এই যাত্রা হোক সমৃদ্ধ, বিস্তৃত ও গৌরবময়
আলহামদুলিল্লাহ!
আমি খুবই আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ যে CAITAMS-এর প্রতিষ্ঠাতা, জনাব মোঃ ইলিয়াস সেখ সজিব স্যার-এর কাছ থেকে শেখার সুযোগ পেয়েছি। তাঁর অভিজ্ঞতা, ধৈর্য আর বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ আমার পেশাগত চিন্তা ও দক্ষতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই সময়টায় আমি শুধু কিছু টেকনিক শিখিনি, বরং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি। বিশেষ করে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির ‘সুইং’ এবং ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (IE)’ সেকশনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হাতে-কলমে বুঝে নিতে পেরেছি।
এই জ্ঞানগুলো শুধু শিখেই থেমে থাকিনি, বরং বাস্তবে প্রয়োগ করেও সুফল পাচ্ছি।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে – ট্রেনিং শেষ হওয়ার পরেও স্যারের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।
কোনো প্রশ্ন বা সমস্যায় পড়লে, তিনি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, পরামর্শ দেন।
একদিন স্যার নিজেই ফোন করে CAITAMS এর সাথে আমার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলেন।
আমার শেখার ধাপ, ট্রেনিং সেশন এবং পরবর্তী সাপোর্ট সম্পর্কে ব্যক্তিগত মতামত জানতে চাইলেন। তাঁর সেই আন্তরিকতায় আমি সত্যিই অবাক ও অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। তখন থেকেই ভাবছিলাম — এই কৃতজ্ঞতাটুকু কীভাবে প্রকাশ করব? আর তখনই স্যার বললেন,
“আপনার এই অভিজ্ঞতা ও শেখার গল্পটি আমার ওয়েবসাইটে ‘সফলতার গল্প’ হিসেবে থাকবে।” এই কথা আমার জন্য ছিল এক দারুণ সম্মান ও অনুপ্রেরণার উৎস। আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ — কারণ এই যাত্রা শুধু শেখা নয়, বরং একজন ট্রেইনারের কাছ থেকে অন্তরিক সম্পর্ক, সহযোগিতা ও স্বীকৃতির স্পর্শ পেয়েছি। CAITAMS এর সাথে এটাই ছিল আমার সফলতার গল্প। CAITAMS এবং ইলিয়াস স্যার-এর জন্য রইল অন্তরের গভীর থেকে দোয়া ও শুভকামনা
আমার ট্রেনিংয়ের অভিজ্ঞতা | জুনিয়র এক্সিকিউটিভ,প্রডাকশন
আমি হালিমা, গার্মেন্টসে কাজ করি প্রায় ১৪ বছর ধরে। কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও SMV, Efficiency, Target Calculation – এসব নিয়ে মাথায় পরিষ্কার ধারণা ছিল না।
ট্রেনিং শুরুতে মনটা একটু বাইরে ছিল, কারণ কাজের চাপ আর প্রতিদিনকার রুটিনে অভ্যস্ত ছিলাম। একদিন স্যার একটু কড়া হয়ে বললেন:
এই ট্রেনিং যদি বাইরে করতেন, তাহলে একদিনেই ২০০০–৩০০০ টাকা খরচ পড়ত। এখানে ফ্যাক্টরির ভেতরে শেখার সুযোগ পাচ্ছেন, মনোযোগ দিলে আপনাদেরই লাভ।
এই কথাটা আমার মনে বাজে। ভাবলাম – সত্যিই তো, শেখা যদি ফ্রি পাই আর কাজে লাগে, তাহলে মন দিয়ে না শিখে ক্ষতি তো আমারই।
তারপর থেকে আমি স্যারের সব ক্লাস মন দিয়ে শুনতে শুরু করি।
এখন ফ্লোরে দাঁড়িয়ে আমি অনেক কনফিডেন্ট।
টিমের সাথে ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারি, গাইড করতে পারি।
এখন বুঝি, শুধু কাজ করলেই হয় না — জানাটাও দরকার, বুঝে কাজ করলেই আসল উন্নতি।
CAITAMS-এর স্যারের এই ট্রেনিং আমার কাজের ধরনটাই পাল্টে দিয়েছে
আমি মোঃ হুমায়ুন কবির সুইং সেকশনে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করছি ৮ বছর ধরে। কাজের চাপ, ডেলিভারির প্রেশার – সব মিলিয়ে প্রতিদিনই দৌঁড়াদৌড়ি।
তবুও প্রায় সময় শুনতে হতো টার্গেট মিস হচ্ছে কেন? Efficiency কম কেন?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার জানা ছিল না।
CAITAMS-এর ট্রেনিং শুরু হলে, প্রথমে ভাবছিলাম – “এইসব শিখে কী হবে?” কিন্তু প্রথম ক্লাসেই চোখ খুলে গেল।
আগে না বুঝে শুধু পরিশ্রম করতাম।
এখন বুঝে, ডেটা দেখে, স্মার্টভাবে কাজ করি।
CAITAMS আমাকে বদলে দিয়েছে –
একজন দায়িত্ববান ও পেশাদার সুপারভাইজারে।
এটাই আমার শেখা ও বদলে যাওয়ার গল্প